নারীদের কর্মঘণ্টা ৫ ঘণ্টায় কমিয়ে আনার প্রস্তাবটি মূলত গৃহস্থালি কাজের দায়ভার একচেটিয়াভাবে নারীর ওপর চাপানোর বৈষম্যমূলক প্রথাকে শক্তিশালী করে। ঘরের কাজকে ‘শুধুমাত্র নারীর দায়িত্ব’ হিসেবে গণ্য করা তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে খর্ব করে। প্রকৃত ‘ইনসাফ’ বা ন্যায়বিচার তখনই সম্ভব, যখন রাষ্ট্র ও পরিবারে নারী-পুরুষের কাজের ভার সমানভাবে বণ্টিত হবে। কর্মঘণ্টা না কমিয়ে বরং উন্নত শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র ও যত্নমূলক সেবা খাতে বিনিয়োগ এবং পুরুষদের ঘরের কাজে উদ্বুদ্ধ করাই হবে নারীর ক্ষমতায়নের সঠিক পথ।
নারীদের কর্মঘণ্টা ৫ ঘণ্টায় কমিয়ে আনার প্রস্তাবটি মূলত গৃহস্থালি কাজের দায়ভার একচেটিয়াভাবে নারীর ওপর চাপানোর বৈষম্যমূলক প্রথাকে শক্তিশালী করে। ঘরের কাজকে ‘শুধুমাত্র নারীর দায়িত্ব’ হিসেবে গণ্য করা তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে খর্ব করে। প্রকৃত ‘ইনসাফ’ বা ন্যায়বিচার তখনই সম্ভব, যখন রাষ্ট্র ও পরিবারে নারী-পুরুষের কাজের ভার সমানভাবে বণ্টিত হবে। কর্মঘণ্টা না কমিয়ে বরং উন্নত শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র ও যত্নমূলক সেবা খাতে বিনিয়োগ এবং পুরুষদের ঘরের কাজে উদ্বুদ্ধ করাই হবে নারীর ক্ষমতায়নের সঠিক পথ।