২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর গঠিত সরকার ‘কাঠামোগত সংস্কারের’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যার অংশ হিসেবে একটি নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশনকে সর্বস্তরে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্য সুপারিশ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে, এই সংস্কার প্রক্রিয়া বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হয়েছে। সংস্কারের এই ঐতিহাসিক সুযোগটি রাজনৈতিক অবহেলা ও জনতুষ্টির কাছে হারিয়ে গেছে, এবং নারীর অধিকার আবারও প্রতীকী কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর গঠিত সরকার ‘কাঠামোগত সংস্কারের’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যার অংশ হিসেবে একটি নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশনকে সর্বস্তরে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্য সুপারিশ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে, এই সংস্কার প্রক্রিয়া বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হয়েছে। সংস্কারের এই ঐতিহাসিক সুযোগটি রাজনৈতিক অবহেলা ও জনতুষ্টির কাছে হারিয়ে গেছে, এবং নারীর অধিকার আবারও প্রতীকী কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।