জুলাই আন্দোলনে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নতুন রাজনৈতিক আশার সঞ্চার করলেও, এক বছর পর নতুন নারী নেতৃত্বের উত্থান অধরা। পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতি, রাতে মিটিং ও পারিবারিক চাপের কারণে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া প্রান্তিক তরুণীরা রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। বর্তমানে সক্রিয় তরুণ নারী নেতৃত্ব মূলত শহুরে ও অভিজাত শ্রেণির প্রতিনিধি, যারা প্রান্তিক কণ্ঠস্বরকে প্রতিফলিত করছেন না। রাজনৈতিক দলগুলোতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্বের আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণেও চরম ব্যর্থতা রয়েছে। তাই, গণতন্ত্রের সুরক্ষার জন্য নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এখন বেশি জরুরি।
জুলাই আন্দোলনে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নতুন রাজনৈতিক আশার সঞ্চার করলেও, এক বছর পর নতুন নারী নেতৃত্বের উত্থান অধরা। পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতি, রাতে মিটিং ও পারিবারিক চাপের কারণে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া প্রান্তিক তরুণীরা রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। বর্তমানে সক্রিয় তরুণ নারী নেতৃত্ব মূলত শহুরে ও অভিজাত শ্রেণির প্রতিনিধি, যারা প্রান্তিক কণ্ঠস্বরকে প্রতিফলিত করছেন না। রাজনৈতিক দলগুলোতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্বের আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণেও চরম ব্যর্থতা রয়েছে। তাই, গণতন্ত্রের সুরক্ষার জন্য নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এখন বেশি জরুরি।